ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮টি ঘোড়া জবাইয়ের অভিযোগে চারজন আটক ৩০ পেরোতেই জয়েন্টে ব্যথা? অবহেলা করলে কিন্তু বড় বিপদ ইটবাহী ট্রাকের চাপায় স্কুল ছাত্র নিহত খুশি ও জাহ্নবী ছাড়াও আর এক কন্যা রয়েছে শ্রীদেবীর! তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত আমেরিকার বিস্তীর্ণ অংশ! মুন্সিগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় কৃষি কর্মকর্তা নিহত বগুড়ায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলছেন শিক্ষিকা ডাক্তারি পড়তে চাপ দেওয়ায় বাবাকে খুন করল ছেলে ডাক্তারি পড়তে চাপ দেওয়ায় বাবাকে খুন করল ছেলে আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে যে বার্তা দিলেন মির্জা ফখরুল দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতকে উচিত শিক্ষা দিয়েছে: মুশতাক বগুড়া ও শেরপুরের উপনির্বাচন কবে, জানাল ইসি ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ নাইক্ষ্যংছড়ি-ঘুমধুম সীমান্তে অনুপ্রবেশকালে আরাকান আর্মির ৩ সদস্য আটক নোয়াখালীতে প্রাইভেটকারে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার ২ এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত গ্রেফতার ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা বিআরটিএ ও ডামের উদ্যোগে ৬৬৫ গণপরিবহণ চালককে প্রশিক্ষণ প্রদান পদ্মার গভীর চরে প্রথম বাণিজ্যিক পেঁয়াজ চাষ, বাম্পার ফলনের আশা

ফুলবাড়ীতে খরায় জমিতে ফাটল, বৃষ্টির প্রহর গুণছেন কৃষকরা

  • আপলোড সময় : ১৮-০৭-২০২৫ ০৪:১৮:৪২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৭-২০২৫ ০৪:১৮:৪২ অপরাহ্ন
ফুলবাড়ীতে খরায় জমিতে ফাটল, বৃষ্টির প্রহর গুণছেন কৃষকরা ফুলবাড়ীতে খরায় জমিতে ফাটল, বৃষ্টির প্রহর গুণছেন কৃষকরা
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় বর্ষার মাঝামাঝি সময়েও বর্ষার দেখা নেই। পানির সংকটে নাকাল হয়ে পড়েছেন এলাকার হাজারো কৃষক। জমি চাষ, চারা রোপণ আর পাট জাগ দেওয়া সবকিছুই থমকে গেছে পানির অভাবে। কিছু এলাকায় যেসব জমিতে চারা রোপণ হয়েছে, সেখানে পর্যন্ত জমি ফেটে যাচ্ছে খরার দাপটে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে বাড়তি খরচে নলকূপ ও শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচের পানি ব্যবহার করছেন। এতে তাদের উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় অনেক বেশি বেড়ে যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদনের লক্ষ্য ৯২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন।

তবে ভরা বর্ষায়ও পর্যাপ্ত বৃষ্টির দেখা না মেলায় আমনের বীজতলা তৈরি হলেও অনেক জমিই পড়ে আছে অনাবাদী। জুলাই মাসে একবার স্বল্প বৃষ্টি হলেও এরপর থেকে আকাশের মুখ আর দেখা মেলেনি।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, জমি তৈরি হলেও পানি না থাকায় কৃষকরা চারা রোপণ করতে পারছেন না। কোথাও কোথাও শুকনো জমিতে ফাটল ধরেছে। অনেকেই আশপাশের পুকুর-ডোবা থেকে শ্যালো মেশিন বসিয়ে পানি তুলে কোনোমতে জমি সেচ দিচ্ছেন।

খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের কৃষক খাদেমুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতে করতে বাধ্য হয়েছি নলকূপের পানি দিয়ে জমিতে চারা রোপণ করতে। এতে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে, এক একর ২৫ শতাংশ জমিতে প্রায় ১৬ হাজার টাকা বেশি খরচ হচ্ছে।

দৌলতপুর ইউনিয়নের আরেক কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, সেচ দিয়ে তিন একর জমি চাষ করতে হচ্ছে। কিন্তু এত খরচের পরেও লাভ হবে কি না সেটাই ভাবছি।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস বলছে, চলতি মৌসুমে মে, জুন এবং জুলাইয়ের শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে ২৫ জুলাইয়ের পর থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানুর রহমান বলেন, আমন রোপণের সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত চারা রোপণ করা যাবে। আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
পদ্মার গভীর চরে প্রথম বাণিজ্যিক পেঁয়াজ চাষ, বাম্পার ফলনের আশা

পদ্মার গভীর চরে প্রথম বাণিজ্যিক পেঁয়াজ চাষ, বাম্পার ফলনের আশা